বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য কালচারাল সেন্টার
পশ্চিমবঙ্গের প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্মরণে কলকাতার এজেসি বোস রোডে প্রমোদ দাশগুপ্ত ট্রাস্টের উদ্যোগে একটি শিল্প-সংস্কৃতি কেন্দ্র গড়ার কাজ শুরু হয়েছে। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের জন্মদিন তথা ১ মার্চ ২০২৬ তারিখে এই সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গড়ে তোলার কাজের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। সিপিআই(এম) নেতা এবং পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের জন্মদিন ১ মার্চ এ খবর জানিয়েছেন সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম।
প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ টিকিয়ে রাখা এবং শিল্প-সংস্কৃতির চর্চাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য কেবল রাজনীতিবিদই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন কবি, নাট্যকার ও সাহিত্যিক। তাঁর এই বহুমুখী প্রতিভাকে ও সংস্কৃতিপ্রেমকে স্মরণে রেখেই কেন্দ্রটি গড়া হচ্ছে। উদ্বোধনী দিনে 'বাংলার পুনরুত্থান এবং বিকল্পের ভাবনা' শীর্ষক বিশেষ আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ও গুণীজনরা অংশ নেন।
১ মার্চ, ১৯৪৪
১৯৮৫
নভেম্বর, ২০০০
৮ই আগস্ট, ২০২৪
বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য - এক সংগ্রামময় জীবন
একটি টাইমলাইন
প্রারম্ভিক জীবন এবং রাজনৈতিক সূচনা
• ১ মার্চ, ১৯৪৪: পশ্চিমবঙ্গের উত্তর কলকাতায় জন্ম।
• শিক্ষা: শৈলেন্দ্র সরকার বিদ্যালয় থেকে স্কুলশিক্ষা সম্পন্ন করেন এবং কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা অনার্সে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন।
• ১৯৬৬: ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী)-তে যোগদান করেন।
• ১৯৬৮: ডেমোক্রেটিক ইয়ুথ ফেডারেশনের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদক হন।
• ১৯৭১–১৯৮২: ১৯৭১ সালে সিপিআই(এম)-এর পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন এবং পরে ১৯৮২ সালে রাজ্য সচিবালয়ে যোগদান করেন।
• ১৯৭৭: কাশীপুর নির্বাচনী এলাকা থেকে প্রথমবারের মতো বিধায়ক নির্বাচনে জয়ী হন এবং প্রথম বামফ্রন্ট মন্ত্রিসভায় তথ্য ও জনসংযোগ মন্ত্রী হন।
পার্টির আরও দায়িত্বে
• ১৯৮৫: সিপিআই(এম)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে নিযুক্ত হন।
• ১৯৮৭–১৯৯৬: তথ্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
• ১৯৯৬–১৯৯৯: পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
• ১৯৯৯: জ্যোতি বসুর অবসর গ্রহণের পরিকল্পনা উপলক্ষে উপ-মুখ্যমন্ত্রী পদে উন্নীত হন।
মুখ্যমন্ত্রীর কার্যকাল (২০০০-২০১১)
• ৬ নভেম্বর, ২০০০: জ্যোতি বসুর উত্তরসূরি হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের সপ্তম মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণ করেন।
• ২০০২: সিপিআই(এম)-এর পলিটব্যুরোতে অন্তর্ভুক্ত হন।
• ২০০৬: রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২৩৫টি আসনে জয়লাভ করে সপ্তম বামফ্রন্ট সরকারের নেতৃত্ব দেন।
• ২০০৬–২০০৭: সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামে শিল্প প্রকল্পের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতা ও চক্রান্তের সম্মুখীন হন।
• মে ২০১১: ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট সরকারের অবসান।
পরবর্তী বছর এবং মৃত্যু
• ২০১৫: স্বাস্থ্যগত কারণে সিপিআই(এম)-এর পলিটব্যুরো থেকে অব্যাহতি এবং ধীরে ধীরে সক্রিয় জনজীবন থেকে নিজেকে সংবরণ করেন।
• ৮ই আগস্ট, ২০২৪: দীর্ঘকালীন শ্বাসকষ্ট ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার পর ৮০ বছর বয়সে কলকাতার বালিগঞ্জে নিজ বাসভবনে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ফটো গ্যালারি
জীবনের নানা পর্যায় থেকে কিছু চিত্র
বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের লেখা লেখি
এখানে পড়ে দেখুন
ভিয়েতনামঃ সংগ্রামের এক উদ্দীপ্ত প্রেরণা
ইন্দোচীনের অন্তর্গত ছোট একটি দেশ ভিয়েতনাম। আয়তন মাত্র ১ লক্ষ ২৯ হাজার বর্গমাইল। লোকসংখ্যাও অত্যন্ত কম, প্রায় সাড়ে তিন কোটি। এদের শতকরা ৯০ ভাগই কৃষক। অর্থনৈতিকভাবে অনগ্রসর এই দেশে শিল্প বলতে তেমন কিছুই নেই। অর্থনীতির মূল ভিত্তিই কৃষি।
আরো পড়ুন ...ভারত প্রসঙ্গে লেনিন
মার্কসবাদকে বিকশিত করেন লেনিন। লেনিনবাদ হল সাম্রাজ্যবাদ ও সর্বহারার বিপ্লবের যুগের মার্কসবাদ। লেনিন শুধু বিশ্বের প্রথম সর্বহারা বিপ্লবের রূপকার নন, তিনি বিশ্বব্যাপী বিপ্লবী আন্দোলনের কর্মনীতি ও কর্মকৌশল রচনায় এক ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেন।
আরো পড়ুন ...যুদ্ধের বিপদ: আমাদের দায়িত্ব
"ছোট মালিকদের শ্রমের উপর প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিগত সম্পত্তি, স্বাধীন প্রতিযোগিতা, গণতন্ত্র প্রভৃতি বিভিন্ন মুখরোচক কথার আড়ালে পুঁজিপতিরা ও তাদেত প্রেস, শ্রমিক ও কৃষকদের যা ব'লে বঞ্চনা করতো তা এখন সুদূর অতীতের বিষয় হয়ে গেছে।
আরো পড়ুন ...বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য কালচারাল সেন্টার
যোগাযোগের তথ্য
Contact Information
বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের কর্মজীবন, রাজনৈতিক জীবন সংক্রান্ত তথ্য, ছবি, বই, লেখা ইত্যাদি দিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন
ইমেল:
info@bbcc.co.in
ফোন:
০৩৩ - ২২১৭৬৬৩৩
ঠিকানা:
১৬৮/১ এ আচার্য জগদীশ চন্দ্র বোস রোড
কলিকাতা ৭০০০১৪